শেখ ফরিদুল ইসলাম এমপি, প্রতিমন্ত্রী, বন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আমি বহু আগেই আপনাকে বলেছিলাম যে, কাউকে হঠাৎ বিশ্বাস করবেন না। আপনার বিশ্বাসের প্রতি ওরা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে আর আজ আপনাকেই নির্দেশ দিতে হলো তাদেরকে গ্রেফতার করার জন্য। বানরকে বেশি আশ্রয় প্রশ্রয় দিতে নেই তাহলে মাথায় উঠে প্রস্রাব করে দেয়। তাই করলো এই বিশ্বাসঘাতকরা। এই বর্ণ চোরারা আপনার সাথে ছবি তুলে সেই ছবিকে পুঁজি করে সুন্দরবন ধ্বংসের হোলি খেলায় মেতে উঠেছে এই সুমন ও সাইফুল বাহিনী। এই সুমন ও সাইফুল আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে মোংলা পৌরসভার মেয়র সাবেক ফরেস্ট গার্ড আব্দুর রহমান ও মোংলা যুবলীগ নেতার ছত্রছায়ায় থেকে সুন্দরবনে অপকর্ম চালিয়ে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে নিয়ে ছিল। জুলাই আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতন হলে হঠাৎ করে রং পরিবর্তন করে সুমন ও সাইফুল বাহিনী আপনার পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে সেই ছবি দিয়ে ব্যবসা শুরু করে দিলো। মন্ত্রিপরিষদে আপনার সুনাম যখন তুঙ্গে ঠিক সেই মুহূর্তে আপনাকে বিতর্কিত করে তুললো এই সুমন ও সাইফুল বাহিনী। ওরা আপনার ছবি ব্যবহার করে সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে দলীয় পরিচয় দিয়ে অশ্লীল ব্যবহার হামকি ধমকি উগ্র আচরণ ও মানসিকভাবে অত্যাচার শুরু করে দিয়ে অভয়ারণ্য নিষিদ্ধ এলাকায় তাদের লোকজন দিয়ে জোরপূর্বক খালে বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরা শুরু করে দিলো।
বেশ কিছুদিন আগে চাঁদপাই রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা, সহকারী বন সংরক্ষক দিপেন দে সাইফুল বাহিনীর লোকজনদের নৌকাসহ আটক করে চাঁদপাই স্টেশনে নিয়ে আসেন সাইফুল বাহিনী তার লোকজন নিয়ে চাঁদপাই রেঞ্জে গিয়ে জোরপূর্বক নৌকা গুলি ছিনিয়ে নেওয়ার এবং রেঞ্জ কর্মকর্তাকে অশ্লীলভাবে গালমন্দ করতে থাকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিতে থাকে। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের নাম ভাঙ্গিয়ে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। রেঞ্জ কর্মকর্তা উপায় অন্তর না পেয়ে নিজের ও বনকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য সাইফুলের নামে মোংলা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। যেহেতু সাইফুলের নামে সরকারি কাজে বাধা, সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে অসদাচরণ, বিভিন্ন হুমকি ধামকি বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করা আছে সেহেতু সরকারি স্বার্থে তাহাকেও গ্রেফতারের নির্দেশনা দিতে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে।
আপনার নাম ভাঙ্গিয়ে তারা ধরা কে সরা জ্ঞান করে সুন্দরবনের যত্রতত্র খাল গুলো দখল করা শুরু করে রাম রাজত্ব শুরু করে দিলো। সুন্দরবনের ভিতরে অবস্থানরত বন টহল ফাঁড়িতে দায়িত্বরত ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে ড্যাম কিয়ার ভাব নিয়ে তারা নিজেদের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু আল্লাহর মাইর দুনিয়ার বাইর ওরে সুমন সাইফুল বাহিনী ধরা খেয়ে গেল জনগণের হাতে তাদের মুখোশ খুলে গেল বৈদ্যমারি বাজারে। বিষ দিয়ে মাছ মারার ভিডিও চিত্র ভাইরাল হলে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম মহোদয়ের নির্দেশে সুমন সহ আরো দুইজনকে আটক করে পুলিশ। এবং এদের পিছনে আরো যারা আছে তাদেরকেও আটক করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মহোদয়। শুধু আটক করলেই হবে না দল থেকে তাদের বহিষ্কার করতে হবে।
দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল অনেক ভালো। সুযোগ সন্ধানী, স্বার্থবাদীদের আশ্রয় প্রশ্রয় না দিয়ে ত্যাগী ও দলের প্রতি অনুগত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করুন।
আপনার প্রশংসা থাকবে আকাশচুম্বী, রামপাল মংলায় আপনি হবেন অপতিরোধ্য নেতা। আপনি যেভাবে সুন্দরবন থেকে বান্দরবান পর্যন্ত চষে বেড়াচ্ছেন বনের উন্নয়নের জন্য আর আপনার ছবি ব্যবহার করে কিছু সংখ্যক সুযোগ সন্ধানী আপনার সাথে যুগল ছছবি ব্যবহার করে আপনাকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ। আর নয়, সময়ের সদ্ব্যবহার করতে হবে ওদের ডানা কেটে দিতে হবে যাতে আর উড়তে না পারে।
সূত্র: Abul Kalam এর ফেসবুক প্রোফাইল থেকে সংগৃহীত
- মতামত লেখকের নিজেস্ব






