সুপার এল নিনো: প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তাপে বদলে যাচ্ছে পৃথিবীর আবহাওয়া

বিশেষ ফিচার | পরিবেশ ও জলবায়ু | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খরা, দাবানল, তাপপ্রবাহ থেকে ভয়াবহ বন্যা, বিশ্বের জলবায়ুতে আবারও বড় ধরনের পরিবর্তনের আশঙ্কা তৈরি করেছে সুপার এল নিনো। অতীতে ১৯৮২–৮৩, ১৯৯৭–৯৮ ও ২০১৫–১৬ সালের শক্তিশালী এল নিনো পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক বিপর্যয় ডেকে এনেছিল। এবার ২০২৬ সালের এল নিনোও অস্বাভাবিক শক্তি নিয়ে এগোচ্ছে। এর প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা, বৃষ্টিপাত ও জনজীবনে।

প্রশান্ত মহাসাগরের বিশাল জলরাশির নিচে জমা হচ্ছে অস্বাভাবিক তাপ। নিরক্ষরেখার কাছাকাছি মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যাওয়ায় বদলে যাচ্ছে বায়ুপ্রবাহ ও বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক বিন্যাস। পৃথিবীর কোথাও বৃষ্টির অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে কৃষিজমি, কোথাও আবার অতিবৃষ্টিতে বাড়ছে বন্যার ঝুঁকি।

এই প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনাটির নাম এল নিনো। তবে যখন এর তীব্রতা ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন একে সাধারণভাবে সুপার এল নিনো বলা হয়।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) মতে, এল নিনো সাধারণত দুই থেকে সাত বছর অন্তর ঘটে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে ৯ থেকে ১২ মাস স্থায়ী হয়। তবে এর প্রভাব পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে অনুভূত হতে পারে।

কীভাবে সৃষ্টি হয় সুপার এল নিনো?

স্বাভাবিক অবস্থায় প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলে পূর্ব থেকে পশ্চিমে বাণিজ্যবায়ু প্রবাহিত হয়। এই বাতাস উষ্ণ পৃষ্ঠের পানিকে ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার দিকে ঠেলে দেয়। অন্যদিকে দক্ষিণ আমেরিকার পেরু ও ইকুয়েডরের উপকূলে সমুদ্রের গভীর থেকে অপেক্ষাকৃত শীতল ও পুষ্টিসমৃদ্ধ পানি ওপরে উঠে আসে।

এল নিনোর সময় এই বাণিজ্যবায়ু দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে উষ্ণ পানি মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে ছড়িয়ে পড়ে। সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমণ্ডলের চাপ, মেঘ সৃষ্টি ও বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক বিন্যাসও বদলে যায়।

সাধারণভাবে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের নির্দিষ্ট অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অন্তত ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হলে এবং প্রয়োজনীয় বায়ুমণ্ডলীয় পরিবর্তন ঘটলে এল নিনো পরিস্থিতি শনাক্ত করা হয়।

ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনোর ক্ষেত্রে এই তাপমাত্রার পার্থক্য প্রায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হতে পারে। তবে সুপার এল নিনো কোনো আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক শ্রেণিবিভাগ নয়; ডব্লিউএমও এই পরিভাষা ব্যবহার করে না।

ইতিহাসে যত শক্তিশালী এল নিনো

আধুনিক পর্যবেক্ষণের ইতিহাসে বেশ কয়েকবার অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনো দেখা গেছে। এর মধ্যে ১৯৮২–৮৩, ১৯৯৭–৯৮ ও ২০১৫–১৬ সালের ঘটনাগুলো বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ১৯৭২–৭৩ সালেও অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনো হয়েছিল। তবে অতীতের সব ঘটনার তীব্রতা পরিমাপে একই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়নি।

১৯৭২–৭৩: পেরুর মৎস্যসম্পদে বিপর্যয়

এই সময়ের শক্তিশালী এল নিনোর ফলে পেরুর উপকূলে গভীর সমুদ্র থেকে পুষ্টিসমৃদ্ধ শীতল পানির উত্থান ব্যাহত হয়। সামুদ্রিক খাদ্যশৃঙ্খল ও অ্যাঞ্চোভি মাছের উৎপাদন বড় ধরনের ধাক্কা খায়। একই সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়।

১৯৮২–৮৩: বিশ্বের বহু অঞ্চলে দুর্যোগ

১৯৮২–৮৩ সালের এল নিনো আধুনিক পর্যবেক্ষণের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। পেরু ও ইকুয়েডরে প্রবল বৃষ্টিপাত ও বন্যা দেখা দেয়। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র খরা ও দাবানলের পরিস্থিতি তৈরি হয়। কৃষি, মৎস্যসম্পদ ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

১৯৯৭–৯৮: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় দাবানল ও বন্যা

১৯৯৭–৯৮ সালের এল নিনো পৃথিবীর অন্যতম আলোচিত জলবায়ুগত ঘটনা। ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ খরা ও ব্যাপক বনাঞ্চলে আগুনের ঘটনা ঘটে। দাবানলের ধোঁয়া প্রতিবেশী দেশগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে এবং মারাত্মক বায়ুদূষণ সৃষ্টি করে।

অন্যদিকে পেরু ও ইকুয়েডরে প্রবল বৃষ্টিপাত, বন্যা ও ভূমিধস দেখা দেয়। আফ্রিকার পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন দেশেও অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ও বন্যার ঘটনা ঘটে।

২০১৫–১৬: তীব্র তাপপ্রবাহ ও প্রবালপ্রাচীরের ক্ষতি

২০১৫–১৬ সালের এল নিনো ছিল ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী। এর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে খরা, তাপপ্রবাহ ও অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত দেখা যায়।

অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফে ব্যাপক প্রবাল বিবর্ণতার ঘটনা ঘটে। সমুদ্রের অস্বাভাবিক উষ্ণতা ছিল এর অন্যতম প্রধান কারণ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চল এবং ইথিওপিয়ায় খরা খাদ্য ও পানির সংকট বাড়িয়ে তোলে।

২০২৩–২৪: বৈশ্বিক উষ্ণতার নতুন সতর্কবার্তা

২০২৩–২৪ সালের এল নিনোও ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী। ডব্লিউএমওর হিসাবে এটি পর্যবেক্ষণের ইতিহাসে পাঁচটি শক্তিশালী এল নিনোর একটি।

এই সময় বৈশ্বিক তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। এল নিনোর পাশাপাশি মানুষের কর্মকাণ্ডের ফলে সৃষ্ট দীর্ঘমেয়াদি জলবায়ু পরিবর্তন তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ২০২৪ সাল পৃথিবীর উষ্ণতম বছর হিসেবে রেকর্ড গড়ে।

২০২৬: নতুন সুপার এল নিনোর আশঙ্কা

২০২৬ সালের জুনে প্রশান্ত মহাসাগরে নতুন এল নিনো প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ক্রমাগত সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় এটি ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী পর্যায়ে পৌঁছানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় মহাসাগরীয় ও বায়ুমণ্ডলীয় প্রশাসন (NOAA) ১০ সেপ্টেম্বর জানিয়েছে, ২০২৬ সালের শেষ ভাগ ও ২০২৭ সালের শীতকালে অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনো হওয়ার সম্ভাবনা ৯০ শতাংশের বেশি। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে এটি ১৯৫০ সালের পর পর্যবেক্ষণ করা পূর্ববর্তী ঘটনাগুলোর তীব্রতা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ৭৫ শতাংশ বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ পর্যবেক্ষণ

২০২৬ সালের এল নিনো কতটা শক্তিশালী?

NOAA-এর ২২ সেপ্টেম্বরের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সাপ্তাহিক আপেক্ষিক মহাসাগরীয় নিনো সূচক বা RONI ইতিমধ্যে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের সীমা অতিক্রম করেছে। এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। তবে চূড়ান্ত মৌসুমি তীব্রতা নির্ধারণে তিন মাসের গড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

ডব্লিউএমওর ৩ সেপ্টেম্বরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এল নিনো ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ। বছরের শেষ নাগাদ এটি সর্বোচ্চ তীব্রতায় পৌঁছাতে পারে এবং এর জলবায়ুগত প্রভাব ২০২৭ সালেও চলতে পারে।

বিশ্বজুড়ে ইতিমধ্যে কী প্রভাব পড়ছে?

২০২৬ সালের এল নিনোর প্রভাব বিশ্বের কয়েকটি অঞ্চলে ইতিমধ্যে দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বৃষ্টিপাতের ঘাটতি, দাবানল ও কৃষি উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া সংস্থা ২২ সেপ্টেম্বর জানিয়েছে, দেশটির প্রায় ৬১ শতাংশ এলাকায় বর্ষা মৌসুম দেরিতে শুরু হতে পারে। দীর্ঘ শুষ্ক মৌসুমের মধ্যে দেশটিতে গত ১১ বছরের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র দাবানল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ধান, আখ, কোকো ও পাম তেলের উৎপাদনও ঝুঁকিতে রয়েছে।

মধ্য আমেরিকার হন্ডুরাস, গুয়াতেমালা ও এল সালভাদরে খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক উদ্ধার সংস্থা আইআরসি। সংস্থাটির মতে, শক্তিশালী এল নিনোর কারণে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হলে বিদ্যমান খাদ্য ও জ্বালানির উচ্চমূল্য সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

তবে বিশ্বের কোনো নির্দিষ্ট খরা, বন্যা বা দাবানলের জন্য শুধু এল নিনোকে দায়ী করা বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। স্থানীয় আবহাওয়া, সমুদ্রের অন্যান্য জলবায়ুগত পরিবর্তন এবং দীর্ঘমেয়াদি বৈশ্বিক উষ্ণায়নও এসব দুর্যোগের তীব্রতাকে প্রভাবিত করে।

বাংলাদেশের জন্য কতটা উদ্বেগের?

বাংলাদেশ সরাসরি প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত না হলেও এল নিনোর প্রভাব থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রার পরিবর্তন ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ এশিয়ার মৌসুমি বায়ুর গতিপ্রকৃতিকে প্রভাবিত করতে পারে।

এল নিনোর সময় দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অঞ্চলে মৌসুমি বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। বাংলাদেশেও বৃষ্টিপাতের অনিয়ম, তাপপ্রবাহ ও কৃষিতে পানির চাহিদা বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বৃষ্টিনির্ভর কৃষি এবং খরাপ্রবণ এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।

অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণিঝড়ের ওপর এল নিনোর প্রভাব সরল নয়। সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা, বায়ুপ্রবাহ এবং ভারত মহাসাগরের নিজস্ব জলবায়ুগত পরিস্থিতির ওপর ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি ও তীব্রতা নির্ভর করে। তাই সুপার এল নিনো হলেই বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় বাড়বে কিংবা কমবে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।

জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সুপার এল নিনোর সম্পর্ক

এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনা। মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণে এর সৃষ্টি হয় না। তবে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় এল নিনোর সময় অতিরিক্ত উষ্ণতা আরও বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

ডব্লিউএমও জানিয়েছে, গ্রিনহাউস গ্যাসের কারণে পৃথিবীর দীর্ঘমেয়াদি উষ্ণায়নের সঙ্গে শক্তিশালী এল নিনো যুক্ত হলে চরম তাপমাত্রা ও আবহাওয়াগত বিপর্যয়ের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সব এল নিনো আগের তুলনায় শক্তিশালী হচ্ছে, এমন সিদ্ধান্ত এখনো প্রতিষ্ঠিত নয়।

এখনই প্রয়োজন প্রস্তুতি

সুপার এল নিনো শুধু আবহাওয়ার পরিবর্তন নয়; এটি কৃষি উৎপাদন, খাদ্য সরবরাহ, পানিসম্পদ, জনস্বাস্থ্য এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি সতর্কসংকেত।

বাংলাদেশের জন্য এখন প্রয়োজন নিয়মিত মৌসুমি পূর্বাভাস পর্যবেক্ষণ, কৃষকদের কাছে আগাম আবহাওয়ার তথ্য পৌঁছে দেওয়া, সেচ ও পানিসম্পদের পরিকল্পনা এবং সম্ভাব্য তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় প্রস্তুতি।

২০২৬ সালের এল নিনো শেষ পর্যন্ত ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘটনায় পরিণত হবে কি না, তা জানতে আরও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। কিন্তু প্রশান্ত মহাসাগরে যে অস্বাভাবিক উষ্ণতা তৈরি হয়েছে, তা ইতিমধ্যেই বিশ্বের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা তুলে ধরেছে, জলবায়ুগত দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই।

আরও পড়ুন

১৯৪ বছরের কচ্ছপ জোনাথন: যার জিনে মিলল দীর্ঘায়ুর সম্ভাব্য সূত্র

বয়স প্রায় ১৯৪ বছর। অথচ খাবারের প্রতি আগ্রহ কমেনি, জীবনযাপনও চলছে স্বাভাবিক ছন্দে। দুই বিশ্বযুদ্ধ, সাম্রাজ্যের উত্থান-পতনসহ দেড় শতাব্দীরও বেশি সময়ের ইতিহাসের সাক্ষী অ্যালডাব্রা...
প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য
0
minutes

ওষুধ তৈরির গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় রসায়নে নোবেল পেলেন কাগান ও সোয়াই

২০২৬ সালের রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ফ্রান্সের বিজ্ঞানী হেনরি বি. কাগান ও জাপানের বিজ্ঞানী কেনসো সোয়াই। অসমমিত জৈব সংশ্লেষণে নন-লিনিয়ার প্রভাব ও অটোক্যাটালাইসিস আবিষ্কারের...
জাতীয়
0
minutes

মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু, ঘাটে ফিরছে ট্রলার

ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় বুধবার (৮ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা। আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বঙ্গোপসাগর ও দেশের...
জলসম্পদ
0
minutes

দক্ষিণ মেরুর বরফে মহাবিশ্বের রহস্য খুঁজে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন

মহাবিশ্বের গভীর থেকে পৃথিবীতে ছুটে আসা উচ্চশক্তির নিউট্রিনো শনাক্ত এবং এ নিয়ে নতুন ধরনের জ্যোতির্বিজ্ঞানের পথ তৈরির স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার...
জাতীয়
0
minutes
spot_imgspot_img