বিশ্ব নদী দিবস: দখল-দূষণে বিপন্ন বাংলাদেশের নদ-নদী, নদী নেই তো জীবনও নেই

নদীমাতৃক বাংলাদেশ। এ দেশের সভ্যতা, সংস্কৃতি, কৃষি, অর্থনীতি ও জীববৈচিত্র্যের সঙ্গে নদীর সম্পর্ক হাজার বছরের। নদীর তীরে গড়ে উঠেছে জনপদ, নদীর পানিতে উর্বর হয়েছে কৃষিজমি, নদীর মাছ ও নৌপথকে কেন্দ্র করে জীবিকা নির্বাহ করেছে অসংখ্য মানুষ। অথচ যে নদীকে ঘিরে বাংলাদেশের জন্ম ও বিকাশ, সেই নদীই আজ দখল, দূষণ, অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমুখী চাপে বিপন্ন।

আজ ২৭ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব নদী দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ‘No Forests, No Rivers, No Water, No Life’, অর্থাৎ ‘বন নেই, নদী নেই, পানি নেই, জীবন নেই’। এই প্রতিপাদ্য কেবল নদী সংরক্ষণের আহ্বান নয়; বরং বন, নদী, পানি ও জীবনের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।

বাংলাদেশের বাস্তবতায় এবারের প্রতিপাদ্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। একদিকে বন উজাড়, পাহাড় কাটা ও প্রাকৃতিক জলাধার ধ্বংস হচ্ছে; অন্যদিকে শিল্পকারখানার বর্জ্য, অপরিশোধিত পয়োনিষ্কাশন, অবৈধ দখল ও অপরিকল্পিত অবকাঠামো নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করছে। নদী রক্ষায় আইন ও প্রতিষ্ঠান থাকলেও বাস্তবে বহু নদীর অস্তিত্ব আজ সংকটাপন্ন।

১ হাজার ৪১৫ নদীর দেশে দখলদার প্রায় ২২ হাজার

বাংলাদেশে নদী দখলের ভয়াবহতা উঠে এসেছে সরকারি হিসাবেই। ২০২৬ সালের ২৫ জুন জাতীয় সংসদে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট ১ হাজার ৪১৫টি নদী রয়েছে। এসব নদীর জমি অবৈধভাবে দখলের সঙ্গে জড়িত অন্তত ২১ হাজার ৯৮৮ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৪ এপ্রিল প্রকাশিত সরকারি নদীর তালিকায় এই ১ হাজার ৪১৫টি নদী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

নদীর দুই তীর দখল করে স্থাপনা নির্মাণ, নদীর জায়গা ভরাট, অপরিকল্পিত বাঁধ এবং অবৈধ বালু উত্তোলনের মতো কর্মকাণ্ড নদীর স্বাভাবিক গতিপথ ও বাস্তুতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, নদী দখল শুধু জমি দখলের ঘটনা নয়। একটি নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে তার সঙ্গে যুক্ত খাল, বিল, জলাভূমি ও প্লাবনভূমিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সংকুচিত হয়ে পড়ে মাছের প্রজননক্ষেত্র, ব্যাহত হয় কৃষিকাজ এবং বিপন্ন হয়ে ওঠে নদীনির্ভর মানুষের জীবিকা।

বুড়িগঙ্গা থেকে শীতলক্ষ্যা: পানির বদলে বিষাক্ত বর্জ্যের প্রবাহ

একসময় ঢাকার প্রাণ ছিল বুড়িগঙ্গা। এই নদীকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছিল রাজধানীর ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগব্যবস্থা। অথচ আজ সেই বুড়িগঙ্গা দেশের নদীদূষণের অন্যতম দৃশ্যমান উদাহরণ।

২০২৬ সালের আগস্টে প্রকাশিত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বুড়িগঙ্গাকে চরম সংকটাপন্ন, তুরাগকে বিপন্ন এবং ধলেশ্বরীকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে শিল্পবর্জ্য, অপরিশোধিত পয়োবর্জ্য, প্লাস্টিক, বাজারের আবর্জনা এবং নৌযানের জ্বালানি তেলকে দূষণের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাজধানীর চারপাশের বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণ এখন কেবল পরিবেশগত সংকট নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্যও উদ্বেগের বিষয়। দূষিত নদীর পানি ব্যবহার, মাছের মাধ্যমে ক্ষতিকর পদার্থ খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবেশ এবং নদীতীরবর্তী মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় দূষণের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের পানির মান পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনেও ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনাসহ প্রধান নগরগুলোর আশপাশের নদীর পানির মান নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। শুষ্ক মৌসুমে বিভিন্ন নদীর পানির মান পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩-এর নির্ধারিত মানের নিচে পাওয়া গেছে।

বন ধ্বংস হলে নদীও বিপন্ন হয়

এবারের বিশ্ব নদী দিবসের প্রতিপাদ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বন ও নদীর পারস্পরিক নির্ভরশীলতা। বনভূমি বৃষ্টির পানি ধারণ, মাটির ক্ষয় রোধ, ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ এবং নদীর অববাহিকার ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চলে গাছপালা ও উদ্ভিদের শিকড় মাটি ধরে রাখে। বনভূমি ধ্বংস হলে বৃষ্টির পানির সঙ্গে বিপুল পরিমাণ মাটি নদীতে এসে জমা হতে পারে। এতে নদীর গভীরতা কমে, স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয় এবং বর্ষাকালে আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি নদীগুলোর ক্ষেত্রে বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। পাহাড় কাটা, বনভূমি উজাড় এবং অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণের ফলে এসব অঞ্চলের প্রাকৃতিক পানিপ্রবাহ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে নদীর অস্তিত্ব কেবল স্থানীয় বনভূমির ওপর নির্ভর করে না। উজানের পানিপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, ভূপ্রকৃতি ও জলবায়ুও নদীর গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করে। তাই বন ও নদীকে বিচ্ছিন্নভাবে নয়, সমগ্র অববাহিকার অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

নদী মরলে হারিয়ে যাবে জীববৈচিত্র্য

বাংলাদেশের নদীগুলো অসংখ্য প্রজাতির মাছ, জলজ উদ্ভিদ, শামুক, কচ্ছপ, ডলফিন ও জলচর পাখির আবাসস্থল। নদীর সঙ্গে সংযুক্ত হাওর, বিল ও প্লাবনভূমি দেশীয় মাছের প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

নদীর পানিতে দূষণ বেড়ে গেলে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যেতে পারে। এতে মাছসহ অন্যান্য জলজ প্রাণীর বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবেশ করে জলজ বাস্তুতন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করতে পারে।

নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও প্লাবনভূমির সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে অনেক মাছের প্রজনন ও চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। এর প্রভাব পড়ে মৎস্যসম্পদ, জেলেদের জীবিকা এবং দেশের খাদ্যনিরাপত্তার ওপর।

নদীর এই সংকট সবচেয়ে বেশি অনুভব করেন নদীনির্ভর মানুষ। যাঁদের জীবন একসময় মাছ ধরা, নৌপরিবহন কিংবা নদীর পানিতে কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল ছিল, তাঁদের অনেকেই এখন দূষণ, নাব্যতা সংকট ও পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে জীবিকার অনিশ্চয়তার মুখোমুখি।

জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে বাড়ছে সংকট

জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশের নদীব্যবস্থার ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করছে। অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, আকস্মিক বন্যা, দীর্ঘ শুষ্ক মৌসুম এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে নদীর পানিপ্রবাহ ও উপকূলীয় অঞ্চলের লবণাক্ততায় পরিবর্তন আসছে।

উপকূলীয় নদীগুলোতে লবণাক্ততা বৃদ্ধির ফলে মিঠাপানির জীববৈচিত্র্য, কৃষিকাজ ও সুপেয় পানির উৎস ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে উজানের পানিপ্রবাহ কমে গেলে শুষ্ক মৌসুমে নদীর স্বাভাবিক পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

বাংলাদেশ একটি ভাটির দেশ। ফলে নদী সংরক্ষণে অভ্যন্তরীণ উদ্যোগের পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোর পানির ন্যায্য বণ্টন, তথ্য বিনিময় এবং সমন্বিত অববাহিকা ব্যবস্থাপনাও গুরুত্বপূর্ণ।

নদী রক্ষায় আইন আছে, প্রয়োজন কার্যকর বাস্তবায়ন

২০১৯ সালে বাংলাদেশের উচ্চ আদালত নদীকে জীবন্ত সত্তা হিসেবে স্বীকৃতি দেন। এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নদী সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ আইনি ভিত্তি তৈরি করেছে। কিন্তু আইনি স্বীকৃতির পরও দেশের বহু নদী দখল ও দূষণের কবল থেকে মুক্ত হতে পারেনি।

২০২৬ সালের জুনে জাতীয় সংসদে জানানো হয়, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত পরিবর্তনের মধ্যে নদী দখল ও দূষণকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা, পৃথক নদী আদালত প্রতিষ্ঠা এবং দূষণের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তবে শুধু আইন প্রণয়ন কিংবা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করলেই নদী রক্ষা সম্ভব নয়। উচ্ছেদের পর পুনর্দখল বন্ধ করা, নদীর সীমানা নির্ধারণ, শিল্পকারখানার বর্জ্য পরিশোধন নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত পানির মান পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।

একই সঙ্গে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, তীরবর্তী বনভূমি, জলাভূমি ও প্লাবনভূমিকে সমন্বিতভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। নদী পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠী, জেলে, কৃষক, পরিবেশবিদ এবং নদী গবেষকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাও প্রয়োজন।

নদী বাঁচানোর অঙ্গীকার কি দিবসেই সীমাবদ্ধ থাকবে?

প্রতিবছর বিশ্ব নদী দিবসে নদী রক্ষার অঙ্গীকার করা হয়। আলোচনা সভা, মানববন্ধন, সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও নদীতীর পরিষ্কারের আয়োজনও দেখা যায়। কিন্তু নদী রক্ষার প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করে সারা বছর এসব অঙ্গীকার কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে, তার ওপর।

নদীর সীমানা চিহ্নিত করা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, দূষণের উৎস বন্ধ, নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ নিশ্চিত এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি দেশের প্রতিটি নদীর পরিবেশগত অবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।

নদীকে শুধু পানি পরিবহন কিংবা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যম হিসেবে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিও বদলাতে হবে। একটি নদী একই সঙ্গে মানুষের জীবন-জীবিকা, জীববৈচিত্র্য, কৃষি, সংস্কৃতি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের অপরিহার্য অংশ।

বিশ্ব নদী দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য তাই বাংলাদেশের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা। বন ধ্বংস হলে নদীর অববাহিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, নদী দূষিত হলে বিপন্ন হয় জলজ প্রাণী, আর সুপেয় পানির উৎস হারিয়ে গেলে সংকটে পড়ে মানুষের জীবন।

নদী বাঁচানো মানে কেবল একটি জলধারা রক্ষা করা নয়; নদী বাঁচানো মানে একটি জনপদ, একটি বাস্তুতন্ত্র এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বেঁচে থাকার অধিকার রক্ষা করা। নদীমাতৃক বাংলাদেশে নদীই যদি না বাঁচে, তবে এই ভূখণ্ডের প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও মানুষের ভবিষ্যৎও নিরাপদ থাকবে না।

আরও পড়ুন

ভবিষ্যতে পানি বড় সংকট হয়ে উঠতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

ভবিষ্যতে বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে পানি অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি...
জলসম্পদ
0
minutes

১৯৪ বছরের কচ্ছপ জোনাথন: যার জিনে মিলল দীর্ঘায়ুর সম্ভাব্য সূত্র

বয়স প্রায় ১৯৪ বছর। অথচ খাবারের প্রতি আগ্রহ কমেনি, জীবনযাপনও চলছে স্বাভাবিক ছন্দে। দুই বিশ্বযুদ্ধ, সাম্রাজ্যের উত্থান-পতনসহ দেড় শতাব্দীরও বেশি সময়ের ইতিহাসের সাক্ষী অ্যালডাব্রা...
প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য
0
minutes

প্লাস্টিক বর্জ্য ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা বাড়াবে ইউএনডিপি

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিকস। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর)...
জাতীয়
0
minutes

মানুষের কুকর্মের সাক্ষী হয়ে জন্ম নিচ্ছে ‘প্লাস্টিক পাথর’

ভাবুন, কয়েক হাজার বছর পর কোনো ভূতত্ত্ববিদ মাটির গভীরে খুঁজে পেলেন একটি অদ্ভুত পাথর। দেখতে অনেকটা সাধারণ শিলার মতো, কিন্তু সেটিকে ভালোভাবে পরীক্ষা করতেই...
দূষণ ও দখল
0
minutes
spot_imgspot_img