তুরাগ ও বুড়িগঙ্গা নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় পাঁচটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রোস্টারভিত্তিক এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
গত ১৮ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর পরিবেশ রক্ষায় একটি কেন্দ্রীয় সেল গঠন করা হয়। ওই সেলের অধীনে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নেতৃত্বে একটি সাব-কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাব-কমিটির কার্যপরিধির আওতায় তুরাগ ও বুড়িগঙ্গা নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. লুৎফর রহমান, মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইংয়ের পরিচালক মাহাবুব জামিল, পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা অঞ্চল কার্যালয়ের পরিচালক ফেরদৌস আনোয়ার, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিনিধি ক্যাপ্টেন মো. গোলজার হোসেন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজওয়ান-উল-ইসলাম। এছাড়া বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশের প্রতিনিধিরাও কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, আশুলিয়া এলাকায় পরিদর্শন করা পাঁচটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে তরল বর্জ্য পরিশোধন ব্যবস্থা বা ইটিপিসহ সার্বিক পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা যথাযথভাবে নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পরবর্তী বিশ্লেষণের জন্য পরিদর্শন করা শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে তরল বর্জ্যের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তুরাগ ও বুড়িগঙ্গা নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে মাসব্যাপী রোস্টারভিত্তিক মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম চলমান থাকবে।






