নিম একটি পরিচিত ঔষধি গাছ। এর ডাল, পাতা ও রস—সবই নানা কাজে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে নিমপাতার রস ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে কার্যকর এবং কৃমিনাশক হিসেবেও বেশ উপকারী। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও নিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কৃমিনাশক হিসেবে নিম
পেটে কৃমি হলে শিশুরা দুর্বল হয়ে পড়ে, পেট ফুলে যায় এবং চেহারা ফ্যাকাশে দেখায়। শিশুদের পেটের কৃমি দূর করতে নিমপাতা বেশ কার্যকর বলে মনে করা হয়।
ত্বকের যত্নে
প্রাচীনকাল থেকেই রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম ভালো কাজ করে। এটি ত্বকে প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণের সমস্যা কমাতে নিমপাতা বেটে ব্যবহার করা যায়।
মাথার ত্বকে চুলকানির সমস্যা থাকলে নিয়মিত নিমপাতার রস ব্যবহার উপকার দিতে পারে। এ ছাড়া নিমপাতার সঙ্গে কাঁচা হলুদ বেটে লাগালে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে এবং স্কিন টোন উন্নত হয়।
চুলের পরিচর্যায়
সুন্দর ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুলের জন্য নিমপাতা বেশ উপকারী। খুশকি দূর করতে শ্যাম্পুর পর নিমপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে চুল ধোয়া যেতে পারে। চুল পড়া কমাতে সপ্তাহে একদিন নিমপাতা বেটে চুলে লাগিয়ে এক ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেললে উপকার পাওয়া যায়। এতে চুল নরম ও কোমল হয়।
দাঁতের যত্নে
দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার প্রচলন বহু পুরোনো। নিমের পাতা, ছালের গুঁড়া বা ডাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁত মজবুত থাকে এবং দন্তরোগের ঝুঁকি কমে।






