সার্কাস থেকে চিড়িয়াখানা: হাতি বাদশা বাহাদুরের গল্প যে প্রশ্ন তোলে

একসময় মানুষের বিনোদনের জন্য সার্কাসের মঞ্চে তাকে নানা কসরত করতে হয়েছে। কখনো অংকুশের আঘাত, কখনো কানের লতিতে বাঁধা রশি, কখনো অনাহার-নির্যাতনের দীর্ঘ ইতিহাস যেন তার শরীরজুড়ে লেখা। পা, পেট ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিল ক্ষত। সবচেয়ে গভীর ক্ষতটি ছিল ঘাড়ে। দীর্ঘদিনের অবহেলায় দাঁতের ক্ষতেও তৈরি হয়েছিল পোকার উপদ্রব।

এই হাতিটির নাম বাদশা বাহাদুর। বগুড়ার মহাস্থানগড়ের এই হাতি দ্য বুলবুল সার্কাসসহ বিভিন্ন সার্কাস পার্টিতে খেলা দেখিয়েছে। নওগাঁ ও জয়পুরহাটে সড়ক প্রদর্শনী এবং চাঁদাবাজিতেও তাকে ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।

তবে এখন বদলে গেছে বাদশা বাহাদুরের জীবন। মালিকের কাছ থেকে হেফাজতে নেওয়ার পর তাকে চিকিৎসা ও বিশেষ যত্নে সুস্থ করে তোলার চেষ্টা চলছে। চিকিৎসকদের ভাষ্য, চিকিৎসা শুরুর মাত্র তৃতীয় দিন থেকেই হাতিটির শরীরে উন্নতির লক্ষণ দেখা যায়।

ভাইরাল ছবিতে সামনে আসে নির্যাতনের চিত্র

বাদশা বাহাদুরের শরীরের ক্ষত-বিক্ষত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে। এরপর হাতিটিকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মালিক সবুর আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। মহাস্থানগড়ের বাসিন্দা সবুর আলম জানান, তিনি ২০১১ সালে হাতিটি কিনেছিলেন। ২০১৪ সালে ঝড়ের সময় গাছ পড়ে বাদশা বাহাদুরের একটি দাঁত ভেঙে যায় এবং সেখানে সংক্রমণ তৈরি হয়।

হাতিটি অসুস্থ হওয়ার পরও তাকে খেলা দেখানোর কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে।

পরে সবুর আলম বগুড়া সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রায়হানকে জানান, তিনি আর হাতিটির খাবার ও চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে পারছেন না। এরপর স্বেচ্ছায় হাতিটিকে কর্মকর্তাদের হেফাজতে ছেড়ে দেন।

গত ৪ জুলাই রাত ৮টার দিকে বাদশা বাহাদুরকে বগুড়া থেকে চিকিৎসার জন্য চিড়িয়াখানার উদ্দেশে পাঠানো হয়। পরদিন ৫ জুলাই ভোরে তাকে চিড়িয়াখানায় নেওয়া হয়।

সবচেয়ে বেশি চিন্তা ছিল ঘাড়ের ক্ষত নিয়ে

চিড়িয়াখানায় নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা প্রথমে ভায়োডিন দিয়ে ক্ষত পরিষ্কার করেন এবং অ্যান্টিবায়োটিক স্প্রে দেন। দাঁতের ক্ষতও স্যালাইন দিয়ে পরিষ্কার করা হয়।

বাদশা বাহাদুরের চিকিৎসায় কেন্দ্রীয় পশু হাসপাতাল, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণী বিশেষজ্ঞ এবং চিড়িয়াখানার সাবেক প্রাণিচিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়।

পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, শরীরের অন্যান্য ক্ষত তুলনামূলকভাবে অগভীর হলেও ঘাড়ের ক্ষতটি ছিল সবচেয়ে গুরুতর। চিকিৎসকেরা দীর্ঘসময় কার্যকর থাকে এমন অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের পাশাপাশি প্রতিদিন দুইবার ড্রেসিংয়ের পরামর্শ দেন। দাঁতের ক্ষত নিয়মিত ওয়াশ করারও ব্যবস্থা করা হয়।

চিড়িয়াখানার পরিচালক মো. শাহিনুর আলম বলেন, ‘বাদশা বাহাদুরের ওপর দিয়ে অনেক ঝড় গেছে। সম্ভবত অল্প বয়সেই তাকে খেলা দেখানোর কাজে ব্যবহার করা শুরু হয়। হাতিটিকে পোষ মানানোর প্রক্রিয়াটি আদিম এবং নিপীড়নমূলক।’

তিনি আরও বলেন, ‘সার্কাসে খেলা দেখানোর ট্রেনিংও দেওয়া হয় মেরে ও অনাহারে রেখে। বাহাদুরের মাথায় অনেকগুলো খোঁচার আঘাত দেখে মনে হয় খেলা দেখাতে তাকে বারবারই বাধ্য করা হয়েছে।’

তবে চিকিৎসকদের জন্য ইতিবাচক বিষয় ছিল বাদশার শান্ত স্বভাব। শাহিনুর আলম বলেন, ‘বাদশা শান্ত প্রকৃতির হাতি। সংঘর্ষ বাধানোর প্রবণতা তার মধ্যে নেই। নতুন মাহুতের সঙ্গে দ্রুত সে মানিয়ে নিয়েছে। এতে তাকে চিকিৎসা দেওয়া সহজ হচ্ছে।’

তৃতীয় দিনেই দেখা যায় উন্নতি

জু অ্যানিমেল কনসালটেন্ট ডা. মো. আমির হোসেন সতীর্থ চিকিৎসকদের নিয়ে বাদশা বাহাদুরের চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল, পুরোপুরি সুস্থ হতে তিন থেকে চার মাস সময় লাগতে পারে। কিন্তু চিকিৎসকদের অবাক করে তৃতীয় দিন থেকেই উন্নতির লক্ষণ দেখা যায়।

বাদশা বাহাদুরের ওজন প্রায় ৪ হাজার কেজি। তার জন্য ১৬০ মিলিলিটার ঘনত্বের অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়। একটি ডোজ প্রায় ৪৮ ঘণ্টা কার্যকর থাকে। ১০ দিনে দেওয়া হয় পাঁচটি ডোজ।

ক্ষতস্থানে তৈরি হওয়া মৃত কোষ পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি খাবারের সঙ্গে ভিটামিন ও খনিজ যোগ করা হয়।

ডা. আমির হোসেন বলেন, ‘বাদশার বয়স ৫০ এর বেশি। এ হিসাবে সে মধ্যবয়স পার করে ফেলেছে। তাই আশা করিনি এতো দ্রুত রেসপন্স করবে।’

ওষুধের পাশাপাশি বিশেষ পথ্য

দীর্ঘদিন বাদশা বাহাদুরকে মূলত কলাগাছ খাওয়ানো হয়েছিল। ফলে হঠাৎ বেশি খাবার দিলে হজমে সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা ছিল। এ কারণে শুরুতে তাকে একটি হাতির নির্ধারিত রেশনের ৫০ শতাংশ দেওয়া হয়। পরে ধীরে ধীরে ৬০ ও ৭০ শতাংশে নেওয়া হয়। এখন সে পূর্ণ রেশন পাচ্ছে।

চিড়িয়াখানার প্রাণিপুষ্টি কর্মকর্তা গাজী ইয়াসির আরাফাত জানান, প্রতিদিন বাদশা বাহাদুরকে দেওয়া হচ্ছে ১০০ কেজি সবুজ ঘাস, ১০০ কেজি কলাগাছ, ৩০ কেজি মিশ্র সবজি, ৫ কেজি কলা, সাড়ে ৩ কেজি দানাদার খাবার এবং পর্যাপ্ত পানি।

তার ভাষায়, ‘বাদশা একটি সতেজ হাতি। ওষুধের সঙ্গে সঙ্গে পর্যাপ্ত খাবার গ্রহণ তার ক্ষত সারাতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।’

গত দেড় মাসে হাতিটির শারীরিক অবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে বলেও জানান তিনি।

একটি পা আর স্বাভাবিক হবে না

চিকিৎসায় সবচেয়ে বড় সাফল্য এসেছে ঘাড়ের ক্ষত শুকাতে শুরু করায়। তবে পুরোনো একটি শারীরিক সমস্যা বাদশার সঙ্গে থেকেই যাবে।

ডা. আমির হোসেন জানান, পেছনের বাঁ পায়ের প্রায় ২০–২২ বছর আগে ফ্র্যাকচার হয়েছিল। পরে সেটি অস্বাভাবিকভাবে জোড়া লাগে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় যাকে ‘ফলস জয়েন্ট ফরমেশন’ বলা হয়। এত বছর পর পাটিকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তাই বাদশা বাহাদুরকে খুঁড়িয়ে হাঁটতে হবে।

মালিক বা মাহুতরা আগে ক্ষত সারানোর জন্য কী ব্যবস্থা নিতেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তারা হয়তো কালেভদ্রে বাজারে সহজলভ্য এন্টিবায়োটিক ট্যাবলেট গুড়ো করে ক্ষতের ওপর ছড়িয়ে দেয়। এতে ভালো ফল পাওয়ার কথা নয়।’

এখন উৎফুল্ল বাদশা

চিড়িয়াখানায় সকাল ৭টা থেকে মাহুতদের কাজ শুরু হয়। হাতিগুলোকে কিছু সময় ব্যায়াম করানো, গোসল করানো এবং পরে খাবার দেওয়া হয়।

বাদশা বাহাদুর এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি উৎফুল্ল। নিয়ম করে গোসল করছে, খাবার খাচ্ছে এবং চিকিৎসার প্রতি ভালো সাড়া দিচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, নিয়মিত পরিচর্যা ও পর্যাপ্ত খাবার তার দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার অন্যতম কারণ।

দেশে বন্দি হাতি ৯৬টি

২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ—আইইউসিএনের ‘স্ট্যাটাস অব এশিয়ান এলিফ্যান্টস ইন বাংলাদেশ’ জরিপে দেশে বুনো হাতির সংখ্যা ২৬৮টি এবং ক্যাপটিভ বা বন্দি হাতির সংখ্যা ৯৬টি উল্লেখ করা হয়। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ছিল ১৪টি এবং ব্যক্তিমালিকানায় ৮২টি।

ডা. আমির হোসেনের মতে, ব্যক্তিমালিকানাধীন হাতিগুলোর বড় অংশ সার্কাস ও বিনোদনের কাজে ব্যবহৃত হয়। কেউ কেউ শখেও হাতি পালন করেন।

মানুষের সঙ্গে হাতির সহাবস্থান কি সম্ভব?

চিড়িয়াখানার পরিচালক ডা. শাহিনুর আলম মনে করেন, মানুষের সঙ্গে হাতির সহাবস্থান সম্ভব, যদি হাতির আবাসস্থল, খাবার ও চলাচলের পথ নষ্ট না করা হয়।

তার ভাষায়, বসতি ও খাবার নষ্ট না করলে এবং হাতির চলাচলের পথে বাধা তৈরি না করলে মানুষ ও হাতির সংঘর্ষের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। মানুষের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণেই হাতি আজ বিপন্নতার মুখে। অথচ বন পুনরুৎপাদন ও বনায়নে হাতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

বাদশা কি কখনো বনে ফিরতে পারবে?

চিকিৎসায় সাড়া দিলেও বাদশা বাহাদুরকে আবার বনে ছেড়ে দেওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে রয়েছে বড় প্রশ্ন।

ডা. আমির হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি যথেষ্ট জটিল। প্রথমত ওর জন্ম ইতিহাস আমাদের কাছে নেই। যদি সে ক্যাপটিভ ব্রিড হয়ে থাকে, তবে প্রকৃতিতে মানিয়ে চলা তার জন্য খুবই কঠিন হবে। খাবার খোঁজার উপায়ও তার বেশি জানা নেই। সে ক্যাপটিভ অবস্থাতেই ভালো থাকবে মনে হয়।’

অর্থাৎ বাদশা বাহাদুরের জন্য বনে ছেড়ে দেওয়া সহজ সমাধান নয়। দীর্ঘদিন মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকা, খাবারের ওপর নির্ভরশীলতা এবং পুরোনো শারীরিক সমস্যার কারণে প্রকৃতিতে টিকে থাকা তার জন্য কঠিন হতে পারে।

বাদশার পর অন্য হাতিদের কী হবে?

বাদশা বাহাদুরের চিকিৎসা যেমন আশার গল্প তৈরি করেছে, তেমনি সামনে এনেছে আরও বড় প্রশ্ন। সার্কাসে, বিনোদনে কিংবা পাহাড়ি এলাকায় ভারী কাজের জন্য ব্যবহৃত অন্য হাতিগুলোর কী হবে?

বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ড. আলী রেজা খানের মতে, ব্যক্তিমালিকানায় হাতি রাখা বন্ধ করা প্রয়োজন। তবে দীর্ঘদিন মানুষের সংস্পর্শে থাকা হাতিগুলোকে সরাসরি বনে ছেড়ে দেওয়াও নিরাপদ নয়। মানুষের সংস্পর্শে থাকার কারণে বিভিন্ন রোগজীবাণু তাদের শরীরে থাকতে পারে, যা বন্য প্রাণীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

তার প্রস্তাব, এমন হাতিদের জন্য ১০ থেকে ১২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের সেমি-ডোমেস্টিকেটেড অভয়াশ্রম গড়ে তোলা যেতে পারে। সেখানে বন্যপ্রাণী জীববিজ্ঞানী, পশুচিকিৎসক ও প্রশিক্ষিত মাহুত থাকবেন। অর্থাৎ মানুষের তত্ত্বাবধানে, কিন্তু অপেক্ষাকৃত প্রাকৃতিক পরিবেশে হাতিগুলোর জন্য নিরাপদ আবাস তৈরি করা যেতে পারে।

ভারতের তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কায় এ ধরনের হাতির অভয়াশ্রম বা এলিফ্যান্ট অরফানেজ রয়েছে। সেসব উদ্যোগ থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশেও বন্দি ও নির্যাতিত হাতিদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি নিরাপদ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে।

বাদশা বাহাদুর তাই শুধু একটি হাতির সুস্থ হয়ে ওঠার গল্প নয়। তার ক্ষতগুলো মনে করিয়ে দেয়, বিনোদনের নামে প্রাণীর ওপর মানুষের কতটা নিষ্ঠুরতা চলতে পারে। আর তার সুস্থ হয়ে ওঠা সামনে রাখে আরও বড় দায়িত্ব: বাদশার মতো অন্য হাতিগুলোর জন্যও কি তৈরি হবে নিরাপদ ভবিষ্যৎ?

সূত্র: The Business Standard বাংলা

আরও পড়ুন

অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর চলনবিল, শিকারিদের নিয়ে শঙ্কা

শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে চলনবিলে আসতে শুরু করেছে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি। কাকডাকা ভোর থেকেই পাখির ওড়াউড়ি আর কোলাহলে মুখর হয়ে উঠছে বিস্তীর্ণ বিলাঞ্চল।...
বন্যপ্রাণী ও সংরক্ষণ
0
minutes

প্রকৃতির নীরব পরিচ্ছন্নতাকর্মী: কাকেরা কি চলে গেছে, নাকি হারিয়েছি আমরাই?

একসময় ভোরের শহর মানেই ছিল কাকের ডাক। ছাদের কার্নিশে, বৈদ্যুতিক তারে কিংবা বাড়ির পাশের ডাস্টবিনে দেখা মিলত তাদের। গ্রীষ্মের অলস দুপুরেও জানালার বাইরে থেকে...
জাতীয়
0
minutes

বন্দিদশা থেকে নতুন ঠিকানায় বেলুগা তিমি, তবু থামেনি মৃত্যুর মিছিল

কানাডার মেরিনল্যান্ড সামুদ্রিক পার্কের অগভীর পানিতে হাঁটু গেড়ে বসেছিলেন তত্ত্বাবধায়কেরা। তাঁদের কাছে একে একে এগিয়ে যাচ্ছিল বেলুগা তিমি টোফিনো। তাঁরা আদর করে হাত বুলিয়ে...
বন্যপ্রাণী ও সংরক্ষণ
0
minutes

জুড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আরও এক বানরের মৃত্যু, বিদ্যুৎ বিভাগের পদক্ষেপ দাবি

খোরশেদ আলম, জুড়ী (মৌলভীবাজার) মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আরও একটি লজ্জাবতী বানরের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে উপজেলার কচুরগুল গ্রামে আব্দুস সুবহান মিয়ার...
বন্যপ্রাণী ও সংরক্ষণ
0
minutes
spot_imgspot_img