ঝুম বৃষ্টি, দমকা হাওয়া আর ঝড়ের তাণ্ডবের মধ্যে ছুটছিল ট্রেন। এরই মধ্যে একটি ঘুঘু পাখি পথ হারিয়ে ট্রেনের ইঞ্জিনের লুকিং গ্লাসের সামনের সেফটি নেটের ভেতর আটকে পড়ে। বের হওয়ার পথ না পেয়ে প্রাণপণে ডানা ঝাপটাতে থাকে পাখিটি। একপর্যায়ে পালকে আঘাতও পায়। বৃষ্টিতে ভিজে কাঁপতে কাঁপতে ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পড়ছিল সেটি।
ট্রেন চালানোর সময় চোখের সামনে একটি অসহায় প্রাণের এমন ছটফটানি দেখা ছিল কষ্টের। পাখিটিকে বাঁচানোর উপায় খুঁজছিলেন ট্রেনের চালক। অবশেষে ট্রেনটি লাকসাম জংশনে পৌঁছে থামলে পাখিটিকে উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সময় নষ্ট না করে সারোয়ার হোসেনের সহায়তা চাওয়া হয়। তিনি এগিয়ে এসে অভিজ্ঞ হাতে পাখিটিকে নিরাপদে উদ্ধার করেন। পরে রেলওয়ের এক দায়িত্বশীল সহকর্মীর কাছে পাখিটিকে হস্তান্তর করা হয়। পাখিটিকে প্রয়োজনীয় সেবা দিয়ে সুস্থ করে আবার মুক্ত আকাশে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
ঘটনাটি হয়তো খুব ছোট, কিন্তু অসহায় একটি প্রাণকে বাঁচানোর চেষ্টা যে কতটা তৃপ্তির, তা এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দেয়। মানুষের একটু সহমর্মিতা ও উদ্যোগই কখনো কখনো একটি প্রাণের বেঁচে থাকার আশ্রয় হয়ে উঠতে পারে।
সূত্র: Shaju Kumar Das এর ফেসবুক প্রোফাইল থেকে সংগৃহীত






