পৃথিবীর কোথাও নয়, কেন জায়ান্ট পান্ডার ঠিকানা শুধু চীন?

কুয়াশায় ঢাকা পাহাড়ি বন। বাঁশবনের ভেতর দিয়ে নীরবে হেঁটে যাচ্ছে কালো-সাদা এক প্রাণী। চারপাশে শুধু বাঁশপাতার মৃদু শব্দ। নেই মানুষের কোলাহল, নেই আধুনিক সভ্যতার কোনো চিহ্ন। এমন শান্ত, নির্জন পরিবেশেই বাস করে পৃথিবীর অন্যতম বিরল স্তন্যপায়ী, জায়ান্ট পান্ডা।

পান্ডা শুধু একটি প্রাণী নয়; চীনের মানুষের জীবন, সংস্কৃতি ও আবেগের সঙ্গেও এটি গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। দেশটিতে পান্ডাকে সৌভাগ্য, শান্তি ও প্রকৃতির ভারসাম্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। শিশুরা পান্ডার ছবি দেখে বড় হয়, সংরক্ষণকর্মীরা তাদের রক্ষায় জীবন উৎসর্গ করেন এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও পান্ডা চীনের জাতীয় ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে বিবেচিত।

একসময় বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে চলে যাওয়া এই প্রাণীকে ফিরিয়ে আনার পেছনে শুধু বিজ্ঞান নয়, মানুষের ভালোবাসা, দায়বদ্ধতা এবং দীর্ঘদিনের সংরক্ষণ প্রচেষ্টাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

তবে প্রশ্ন থেকেই যায়, বিশাল এই পৃথিবীর দেশে দেশে পাহাড়, বন ও সংরক্ষিত এলাকা থাকার পরও কেন জায়ান্ট পান্ডার স্বাভাবিক জন্ম ও বসবাস আজ শুধু চীনেই সীমাবদ্ধ?

জায়ান্ট পান্ডা দেখতে কেমন?

ভালুক পরিবারের সদস্য জায়ান্ট পান্ডার শরীর মূলত সাদা ও কালো লোমে ঢাকা। চোখের চারপাশ, কান, নাকের অংশ, পা ও কাঁধে থাকে কালো লোম। শরীরের ঘন ও উলের মতো লোম তাদের ঠান্ডা পাহাড়ি পরিবেশে উষ্ণ থাকতে সাহায্য করে।

একটি পূর্ণবয়স্ক পান্ডার দৈর্ঘ্য প্রায় দেড় মিটার এবং কাঁধ পর্যন্ত উচ্চতা প্রায় ৯০ সেন্টিমিটার। ওজন সর্বোচ্চ প্রায় ১৫০ কেজি হতে পারে। সাধারণত পুরুষ পান্ডা স্ত্রী পান্ডার তুলনায় কিছুটা বড় ও ভারী।

অন্যদিকে নবজাতক পান্ডা শাবক মায়ের তুলনায় অবিশ্বাস্য রকম ছোট, আকারে প্রায় একটি ভুট্টার মোচার মতো।

বাঁশই তাদের জীবন

জায়ান্ট পান্ডার পরিপাকতন্ত্র মাংসাশী প্রাণীর মতো হলেও বিবর্তনের ফলে তারা প্রায় পুরোপুরি তৃণভোজী হয়ে উঠেছে। তাদের প্রধান খাদ্য বাঁশ।

একটি পূর্ণবয়স্ক জায়ান্ট পান্ডাকে প্রতিদিন প্রায় ১২ থেকে ৩৮ কেজি পর্যন্ত বাঁশ খেতে হয়। বাঁশের ওপর এই অতিরিক্ত নির্ভরশীলতাই তাদের অন্যতম বড় দুর্বলতা। কারণ বাঁশবন ধ্বংস হলে পান্ডার খাদ্য ও আবাসস্থল, দুটিই হুমকির মুখে পড়ে।

তবে পান্ডার খাদ্যতালিকা শুধু বাঁশে সীমাবদ্ধ নয়। সামান্য পরিমাণে অন্যান্য উদ্ভিদ এবং কখনো কখনো ছোট প্রাণীও তারা খেয়ে থাকে।

বাঁশ আঁকড়ে ধরে খাওয়ার জন্য তাদের সামনের পায়ের কবজিতে একটি বিশেষ হাড় রয়েছে, যা অনেকটা অতিরিক্ত আঙুলের মতো কাজ করে।

বাঁশে পুষ্টির পরিমাণ কম এবং এর বড় অংশই হজম হয় না। তাই পান্ডাকে দিনের দীর্ঘ সময় খাবার খেতে হয়। একটি পান্ডা দিনে প্রায় ১২ ঘণ্টা শুধু খাওয়ার পেছনেই ব্যয় করতে পারে।

বনে কত পান্ডা আছে?

বনে ঠিক কতটি পান্ডা রয়েছে, তা নির্ধারণ করা সহজ নয়। চীনের দুর্গম পাহাড়ি বাঁশবনে গবেষকদের দীর্ঘ সময় ধরে অনুসন্ধান চালাতে হয়।

পান্ডার উপস্থিতি শনাক্ত করার অন্যতম উপায় হলো তাদের মল খুঁজে বের করা। মল সংগ্রহের পর তাতে থাকা হজম না হওয়া বাঁশের অংশ পরীক্ষা করা হয়। পান্ডার দাঁতের কামড়ের দাগও বিশ্লেষণ করা হয়। প্রতিটি পান্ডার কামড়ের ছাপ আলাদা হওয়ায় এর মাধ্যমে পৃথক পান্ডাকে শনাক্ত করা সম্ভব।

বিশ্বের অন্যতম বড় পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর নেচার (ডব্লিউডব্লিউএফ) দীর্ঘদিন ধরে চীনের সঙ্গে পান্ডা সংরক্ষণে কাজ করছে।

ডব্লিউডব্লিউএফের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালের জরিপে চীনের বনে বসবাসকারী জায়ান্ট পান্ডার সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৮৬৪টি। সত্তরের দশকের শেষ দিকে এই সংখ্যা ছিল এক হাজারেরও কম। ফলে সংরক্ষণ কার্যক্রমের পর পান্ডার সংখ্যা বৃদ্ধিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হয়।

বনের বাইরে চিড়িয়াখানা ও প্রজননকেন্দ্রেও প্রায় ৬০০ জায়ান্ট পান্ডা রয়েছে। এসব পান্ডার বেশিরভাগই চীনে। বিশ্বের অন্য কয়েকটি দেশে থাকা পান্ডাগুলোও মূলত চীনের কাছ থেকে ধার নেওয়া।

বন্য পরিবেশে জায়ান্ট পান্ডা সাধারণত ১৪ থেকে ২০ বছর বাঁচে। চিড়িয়াখানা বা সংরক্ষণকেন্দ্রে উন্নত পরিচর্যায় তারা ৩০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে।

কেন শুধু চীনেই?

জায়ান্ট পান্ডার প্রাকৃতিক আবাসস্থল শুধু চীনে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়া কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘ পরিবেশগত ইতিহাস।

একসময় জায়ান্ট পান্ডার বিচরণক্ষেত্র দক্ষিণ ও পূর্ব চীন ছাড়িয়ে মিয়ানমার ও উত্তর ভিয়েতনাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। কিন্তু মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি, কৃষিকাজ ও বসতি সম্প্রসারণের কারণে ধীরে ধীরে তাদের বিস্তৃত আবাসস্থল সংকুচিত হতে থাকে।

শেষ পর্যন্ত তারা আশ্রয় নেয় চীনের দুর্গম পাহাড়ি বনাঞ্চলে। বর্তমানে জায়ান্ট পান্ডার বন্য আবাসস্থল মূলত সিচুয়ান, শানশি ও গানসু প্রদেশের পাহাড়ি এলাকায় সীমাবদ্ধ।

ডব্লিউডব্লিউএফের তথ্য অনুযায়ী, এসব অঞ্চলে প্রায় ২০টি বিচ্ছিন্ন বাঁশবনে পান্ডার বসবাস রয়েছে। মিনশান ও চিনলিং পর্বতমালায় তাদের বড় অংশের আবাস।

পান্ডা সংরক্ষণে চীন সরকার ৬৭টি সংরক্ষিত এলাকা গড়ে তুলেছে। এসব এলাকায় বন্য পান্ডার দুই-তৃতীয়াংশের বেশি নিরাপদে বাস করে এবং তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থলের বড় একটি অংশ সুরক্ষিত হয়েছে।

বিচ্ছিন্ন বনাঞ্চলগুলোর মধ্যে যোগাযোগ তৈরি করতেও তৈরি করা হয়েছে বাঁশ করিডোর। এর ফলে পান্ডারা এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যেতে পারে, খাবারের সন্ধান করতে পারে এবং সঙ্গী খুঁজে পাওয়ার সুযোগও বাড়ে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো বাঁশ। চীনের পাহাড়ি বনাঞ্চলে বাঁশের প্রজাতি ও বৈচিত্র্য উল্লেখযোগ্য। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বাঁশের প্রজাতি ও বৈচিত্র্যের দিক থেকে চীন বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ দেশ।

পান্ডা আবার উষ্ণ আবহাওয়া সহ্য করতে পারে না। চীনের উঁচু পাহাড়, কুয়াশাচ্ছন্ন উপত্যকা এবং তুলনামূলক শীতল পরিবেশ তাদের জীবনযাপনের জন্য উপযোগী। ফলে খাদ্য, জলবায়ু ও আবাসস্থল, সব মিলিয়ে চীনের নির্দিষ্ট পাহাড়ি অঞ্চলই তাদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করেছে।

বিলুপ্তির মুখ থেকে ফিরে আসা

পশ্চিমা বিশ্বের কাছে জায়ান্ট পান্ডার পরিচিতি বাড়ে ১৮৬৯ সালের মার্চে। ওই সময় একজন শিকারি একটি পান্ডার চামড়া ফরাসি ধর্মযাজক ও প্রকৃতিবিদ আর্মান্ড ডেভিডের কাছে পৌঁছে দেন। এর মাধ্যমে ইউরোপের বৈজ্ঞানিক মহলে পান্ডা পরিচিত হয়ে ওঠে।

বিশ শতকের শুরুতে পশ্চিমা শিকারি ও সংগ্রাহকদের মাধ্যমে পান্ডা আরও বেশি আলোচনায় আসে। ১৯২৯ সালে রুজভেল্ট পরিবারের দুই ভাই প্রথম বিদেশি হিসেবে একটি পান্ডা শিকার করেন বলে উল্লেখ করা হয়।

তবে জীবিত পান্ডাকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয় ১৯৩৬ সালে। সে বছর আমেরিকান অভিযাত্রী রুথ হারকেস একটি জীবিত শিশু পান্ডাকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গেলে প্রাণীটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের ব্যাপক আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়।

এরপরের এক দশকে বিদেশিরা চীন থেকে অন্তত ১৪টি জায়ান্ট পান্ডা নিয়ে যায়। কখনো প্রদর্শনের জন্য, কখনো ব্যক্তিগত সংগ্রহে।

১৯৪৬ সালে চীন সরকার বিদেশে পান্ডা নেওয়া নিষিদ্ধ করে। এরপর ষাটের দশকের শুরুতে পান্ডার জন্য সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা এবং শিকার নিষিদ্ধ করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

সত্তরের দশকে জরিপে পান্ডার সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ার তথ্য উঠে আসে। সিচুয়ান প্রদেশে পান্ডার উপযুক্ত বনাঞ্চলের অর্ধেকের বেশি হারিয়ে গিয়েছিল। এর পর থেকেই পান্ডার আবাসস্থল রক্ষা ও সংরক্ষণে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়।

নব্বইয়ের দশকে পান্ডার আবাসস্থলের বড় অংশ সংরক্ষিত এলাকার আওতায় আনা হয়। ধীরে ধীরে এর সুফলও দেখা যায়।

২০০৪ সালে চীনের বনে প্রায় ১ হাজার ৬০০ পান্ডা ছিল। ২০১৪ সালের জরিপে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৮৬৪টিতে।

‘পান্ডা ডিপ্লোম্যাসি’

পান্ডা শুধু সংরক্ষণের গল্প নয়; আন্তর্জাতিক কূটনীতির সঙ্গেও এর একটি দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে।

১৯৪৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার পর বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যের প্রতীক হিসেবে চীন জায়ান্ট পান্ডা উপহার দিতে শুরু করে। ডব্লিউডব্লিউএফের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৫৭ থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত চীন বিভিন্ন দেশকে মোট ২৪টি পান্ডা উপহার দেয়।

১৯৬০ সালে এই প্রক্রিয়া ‘পান্ডা ডিপ্লোম্যাসি’ নামে পরিচিতি পায়।

পরবর্তীতে আশির দশকে চীন জায়ান্ট পান্ডাকে রাষ্ট্রীয় সম্পদ হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর উপহার দেওয়ার পরিবর্তে বিদেশি চিড়িয়াখানাগুলোকে নির্দিষ্ট শর্তে পান্ডা ধার দেওয়ার ব্যবস্থা চালু হয়।

এর ফলে বিশ্বের অন্য দেশে থাকা জায়ান্ট পান্ডার আইনগত মালিকানা চীনের কাছেই থাকে। এমনকি বিদেশে জন্ম নেওয়া পান্ডা শাবকের ক্ষেত্রেও চীনের মালিকানা বজায় থাকে।

সাধারণত একটি পান্ডা ধার দেওয়ার চুক্তির মেয়াদ ১০ বছর। চুক্তি অনুযায়ী পান্ডা রাখার পাশাপাশি তাদের খাবার, চিকিৎসা ও পরিচর্যার জন্যও বড় ধরনের ব্যয় বহন করতে হয়।

বিগত কয়েক দশকে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটেও পান্ডা ধার দেওয়ার ঘটনা আলোচনায় এসেছে। ২০১১ সালে স্কটল্যান্ডের এডিনবরা চিড়িয়াখানায় পান্ডা পাঠানোর সময় চীন-স্কটল্যান্ড বাণিজ্যিক সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয়ও আলোচিত হয়েছিল। ২০১৪ সালে বেলজিয়ামে পান্ডা পাঠানোর ক্ষেত্রেও পরিবেশ ও বাণিজ্য সহযোগিতার বিষয় উঠে আসে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন দেশ থেকে পান্ডাকে আবার চীনে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। জাপানেও দীর্ঘদিন থাকা পান্ডাদের চীনে ফেরত নেওয়া হয়েছে।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিভিন্ন দেশ বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে বিরল বন্যপ্রাণী উপহার দিয়ে এসেছে। তবে বর্তমানে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, আন্তর্জাতিক আইন এবং প্রাণী কল্যাণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাওয়ায় সেই প্রথা অনেকটাই বদলে গেছে।

জায়ান্ট পান্ডার ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও আলাদা। কারণ আশির দশকের পর থেকে পান্ডা চীনের রাষ্ট্রীয় সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। ফলে বিশ্বের কোনো দেশেই থাকা জায়ান্ট পান্ডার আইনগত মালিকানা চীনের বাইরে যায় না।

পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে প্রাকৃতিকভাবে জায়ান্ট পান্ডার জন্ম না হওয়ার গল্প তাই শুধু একটি প্রাণীর ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার গল্প নয়। এটি একই সঙ্গে একটি বিশেষ বাস্তুতন্ত্র, খাদ্যাভ্যাস, জলবায়ু, আবাসস্থল ধ্বংস এবং দীর্ঘদিনের সংরক্ষণ প্রচেষ্টার গল্প।

আর সেই কারণেই কুয়াশায় ঢাকা চীনের পাহাড়ি বাঁশবনে নীরবে হেঁটে চলা কালো-সাদা এই প্রাণীটি আজ শুধু চীনের পরিচিতি নয়, বিশ্বজুড়ে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণেরও এক প্রতীক।

সূত্র: বিবিসি

আরও পড়ুন

প্রকৃতির নীরব পরিচ্ছন্নতাকর্মী: কাকেরা কি চলে গেছে, নাকি হারিয়েছি আমরাই?

একসময় ভোরের শহর মানেই ছিল কাকের ডাক। ছাদের কার্নিশে, বৈদ্যুতিক তারে কিংবা বাড়ির পাশের ডাস্টবিনে দেখা মিলত তাদের। গ্রীষ্মের অলস দুপুরেও জানালার বাইরে থেকে...
জাতীয়
0
minutes

বন্দিদশা থেকে নতুন ঠিকানায় বেলুগা তিমি, তবু থামেনি মৃত্যুর মিছিল

কানাডার মেরিনল্যান্ড সামুদ্রিক পার্কের অগভীর পানিতে হাঁটু গেড়ে বসেছিলেন তত্ত্বাবধায়কেরা। তাঁদের কাছে একে একে এগিয়ে যাচ্ছিল বেলুগা তিমি টোফিনো। তাঁরা আদর করে হাত বুলিয়ে...
বন্যপ্রাণী ও সংরক্ষণ
0
minutes

জুড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আরও এক বানরের মৃত্যু, বিদ্যুৎ বিভাগের পদক্ষেপ দাবি

খোরশেদ আলম, জুড়ী (মৌলভীবাজার) মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আরও একটি লজ্জাবতী বানরের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে উপজেলার কচুরগুল গ্রামে আব্দুস সুবহান মিয়ার...
বন্যপ্রাণী ও সংরক্ষণ
0
minutes

ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে ট্রেনের সেফটি নেটে আটকে পড়া ঘুঘু পাখিকে উদ্ধার

ঝুম বৃষ্টি, দমকা হাওয়া আর ঝড়ের তাণ্ডবের মধ্যে ছুটছিল ট্রেন। এরই মধ্যে একটি ঘুঘু পাখি পথ হারিয়ে ট্রেনের ইঞ্জিনের লুকিং গ্লাসের সামনের সেফটি নেটের...
বন্যপ্রাণী ও সংরক্ষণ
0
minutes
spot_imgspot_img