নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় দুই শতাধিক পাখিসহ দুজনকে আটক করেছে বন বিভাগ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এনিমেল রাইটস বিডি ৬৪। উদ্ধার করা পাখিগুলোর অধিকাংশই দেশীয় বিপন্ন প্রজাতির। আটক ব্যক্তিরা প্রায় ১০ বছর ধরে দেশের বিভিন্ন জেলায় ফাঁদ পেতে পাখি ধরে পাচার করে আসছিলেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন।
শনিবার রাতে উপজেলার করমবক্স বাজার থেকে তাদের আটক করা হয়। রোববার সকালে বন্যপ্রাণী আইনে মামলা করে দুজনকে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বারোগাঁও ইউনিয়নের হোসেনপুর এলাকার মো. ইয়াছিন (৫৫) ও পেয়ারাপুর এলাকার শেখ আহম্মদ (৬০)। কবিরহাট উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. মোশাররফ হোসেন এসব তথ্য জানিয়েছেন।
এনিমেল রাইটস বিডি ৬৪-এর সভাপতি রাইমন চৌধুরী রনি বলেন, ইয়াছিন ও শেখ আহম্মদ একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় দেশীয় বিপন্ন প্রজাতির হরিয়াল, ঘুঘু, তিলা ঘুঘু, কট কোয়াল, বিভিন্ন প্রজাতির বক ও শালিকসহ দুই শতাধিক পাখি পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করেন।
খবর পেয়ে বন বিভাগ ও এনিমেল রাইটস বিডি ৬৪-এর কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পাখিগুলো উদ্ধার করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানান, প্রায় ১০ বছর ধরে দেশের বিভিন্ন জেলায় ফাঁদ পেতে পাখি ধরে পাচার করে আসছেন তারা।
কবিরহাট উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, উদ্ধার করা পাখিগুলো লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলা থেকে ধরে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
উদ্ধারের পর স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে একশটি পাখি কবিরহাটেই অবমুক্ত করা হয়েছে। বাকি পাখিগুলো রোববার অবমুক্ত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় বন্যপ্রাণী আইনে মামলা করার পর আটক দুজনকে সকালে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।






