এখন এসকল বৃক্ষগুলো আমাদের চোখের সামনে দৃশ্যমান।
২০২২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে নির্মিত শর্ট ফিল্ম প্রদর্শন করা আশপাশের স্কুলে। বৃক্ষ রোপনের প্রথম পর্যায়ে পোড়াবাড়ীর বিভিন্ন স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসায় ফলদ এবং বনজ বৃক্ষ রোপন করে বৃক্ষের বেড়ে উঠা নিশ্চিত করতে তার চারপাশে বেষ্টনী দিয়ে দেওয়া হয়। এখন এসকল বৃক্ষগুলো আমাদের চোখের সামনে দৃশ্যমান।
২০২৩ সালে ফলদ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের সাথে মঠবাড়ী ইউনিয়নের মঠবাড়ী গ্রামে প্রায় ৫০০ ফলদ এবং বনজ বৃক্ষ রোপন করা হয়। রোপনের শর্ত ছিল গাছগুলো তাদের হাতে না দিয়ে নিজেদের হাতে লাগিয়ে দেওয়া এবং বেষ্টনী আছে এমন জায়গাতেই লাগানো বা সাথে সাথে বেষ্টনী লাগিয়ে দেওয়া, যেন কোনো প্রাণী তা নষ্ট করতে না পারে। বৃক্ষ রোপনের সাথে সাথে ফলদ বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে গানে গানে এবং আলোচনার মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়।
একই সাথে বৃক্ষ রোপনের জন্যে ফলদ বাংলাদেশের সাথে স্বপ্নবিলাস ইয়োথ সোসাইটির দুজন সদস্য অংশগ্রহণ করে নোয়াখালী যাত্রায়।
২০২৪ সালে বৃক্ষ রোপনের জন্যে বেছে নেওয়া হয় মঠবাড়ী ইউনিয়নের বাদামিয়া এবং কুরুয়াগাছা গ্রামকে। সেখানে প্রায় ২০০ মাল্টার চারা দিয়ে সম্পৃক্ততা প্রকাশ করেছিল জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগার। পরবর্তীতে বাদামিয়ায় ১০০ গাছ ফলদ রোপণ করা হয়। উক্ত অঞ্চল গুলোতে বিভিন্ন দোকানপাট এবং বাড়িঘরে গিয়ে বৃক্ষ রোপন, ফলদ বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা ও উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বৃক্ষ শুধু সে সকল জায়গায় লাগানো হয় যেখানে পূর্বের বেষ্টনী আছে বা সাথে সাথে বেষ্টনী লাগানো হয়েছে।
শুধু বৃক্ষরোপণ নয়। স্কুলে সেমিনার। এলাকায় গিয়ে গানের মাধ্যমেও ছড়িয়েছি বিদেশি ক্ষতিকর গাছের বিরুদ্ধে সচেতনতা।






