উপকূলীয় অঞ্চলের প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে কেয়া গাছ। বালুময় উপকূলে জন্ম নেওয়া এ গাছের বিস্তৃত শিকড় মাটি ও বালু আঁকড়ে ধরে রাখে। ফলে বালিয়াড়ি ক্ষয় রোধের পাশাপাশি জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত মোকাবিলায় এটি প্রাকৃতিক প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।
বিশেষ করে সেন্ট মার্টিনের মতো প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপে কেয়াবনের গুরুত্ব আরও বেশি। কেয়াবন শুধু উপকূলকে স্থিতিশীল রাখে না, বিভিন্ন প্রাণী ও পাখির আশ্রয়স্থল হিসেবেও কাজ করে। পরিবেশ অধিদপ্তরের চলমান প্রকল্পের আওতায় সেন্ট মার্টিনের সমুদ্রসৈকত ও সংলগ্ন বালিয়াড়িতে নতুন করে কেয়াবন সৃজন ও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তবে দ্বীপে নতুন রিসোর্ট-কটেজ নির্মাণের জন্য কেয়াগাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে কয়েকটি স্থানে কেয়াবন উজাড় করে স্থাপনা নির্মাণের দৃশ্যও দেখা গেছে। এতে শুধু গাছপালাই ধ্বংস হচ্ছে না, হুমকির মুখে পড়ছে দ্বীপের প্রাকৃতিক সুরক্ষা ও জীববৈচিত্র্যও।
প্রকৃতির তৈরি এই সবুজ দেয়াল রক্ষা করা না গেলে ভবিষ্যতে সেন্ট মার্টিনকে সামুদ্রিক দুর্যোগের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রাখা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।






