আমাদের দেশেই কোন কোন পুরুষ হাতিকে আদেশ শুনতে বাধ্য করতে ইলেক্ট্রিক শক দেয়া হয়! শরীরের বিভিন্ন অংশে জি আই তারের সাথে ২২০ ভোল্টের ইলেক্ট্রিক লাইন যুক্ত করে মুখে, কোমরে, শুড়ে, কানে ছোঁয়ানো হয়। লাঠির মাথায় তার বেধে এই শক দেয়া হয়।
শুনতে অদ্ভুত লাগছে? হ্যা। এমন এমন সব নিষ্ঠুর, অস্বাভাবিক তথ্য হজম করে বসে থাকতে হয় পরিবর্তনের আশায়। আর এদিকে বন বিভাগ এই ধরণের ব্যক্তিদের কাছেই হাতিদের কাস্টডি দেয়। আমি জানি না বা বুঝতে পারি না, বাংলাদেশের বন বিভাগ কেন ক্যাপ্টিভ হাতিদের ব্যাপারে এতোটা নির্বিকার থাকে। এত ধীরে ধীরে চলে! অথচ দেশের ভিতর ও বাইরে থেকে কত মানুষ বিনামূল্যে সাহায্য করতে এই দেশে ছুটে এসেছেন।
কিসের স্বার্থ তাদের? হাতির চাঁদাবাজির টাকা তারাও বাটোয়ারা পায় এই কথা আমি বিশ্বাস করি না। তবে কেন একটা মিটিং এর পর কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে আবার বছর পার করে দেয় তারা?
কিছুদিন আগে জুড়ী উপজেলায় মাত্র ১৮ বছর বয়েসে মারা যায় নূরী। বলা হয়েছে গলাফোলা রোগে সে মারা গেছে! সত্যিই কি তাই? নাকি গলায় মোটা দড়ি বেধে পাহাড়ে গাছের গুঁড়ি টানার কাজ করতে করতে শ্বাস কষ্ট, গলায় ব্যাথা ও ইঞ্জুরি নিয়ে মারা যায় সে?
এভাবে চলতে পারে না। আমরা কথা বললে, হইচই করলে বন বিভাগ দুই পা আগাবে, আমরা চুপ করে গেলে আবার ঝিমাবে, এটা চলতে পারে না। লাল তালিকায় হাতি বাংলাদেশে মহাবিপদাপন্ন প্রাণী। ফাইজলামি না ব্যাপারটা।
Courtesy: Rakibul Amil






